Monday, 26 October, 2026 | কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ
Khabar 24 Bangla
এই মুহূর্তে

মাত্র ১০ বছর বয়সেই বিশ্বমঞ্চে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করল দুর্গাপুরের ছোট্ট মেয়ে আরাধ্যা ধীবর! উজবেকিস্তানের তাসখন্দে অনুষ্ঠিত কিকবক্সিং বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে একটি সোনা, একটি রুপো এবং দুটি ব্রোঞ্জ—মোট চারটি আন্তর্জাতিক পদক জয় করে নজর কেড়েছে চতুর্থ শ্রেণির এই খুদে চ্যাম্পিয়ন।

মাত্র ১০ বছর বয়সেই বিশ্বমঞ্চে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করল দুর্গাপুরের ছোট্ট মেয়ে আরাধ্যা ধীবর! উজবেকিস্তানের তাসখন্দে অনুষ্ঠিত কিকবক্সিং বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে একটি সোনা, একটি রুপো এবং দুটি ব্রোঞ্জ—মোট চারটি আন্তর্জাতিক পদক জয় করে নজর কেড়েছে চতুর্থ শ্রেণির এই খুদে চ্যাম্পিয়ন।

১৩ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলা এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ভারতের হয়ে মোট ছয়টি ইভেন্টে অংশ নিয়েছিল আরাধ্যা। প্রতিটি ইভেন্টেই নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে সে। আর তারই ফলস্বরূপ ঝুলিতে আসে চারটি পদক। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়েছে দুর্গাপুরের এই কন্যা। ২০২৫ সালে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত কিকবক্সিং বিশ্বকাপেও দুটি সোনার পদক জিতেছিল সে।

তবে আরাধ্যার এই সাফল্যের পিছনে রয়েছে কঠিন লড়াই। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যাতায়াত, রেজিস্ট্রেশন-সহ বিভিন্ন খাতে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হয়। আরাধ্যার পরিবারের পক্ষে সেই খরচ বহন করা সহজ ছিল না। কিন্তু মেয়ের স্বপ্নপূরণের আশা ছাড়েননি তার বাবা-মা। অবশেষে আরাধ্যার স্কুল, কয়েকটি সংস্থা এবং কিছু সহৃদয় মানুষের সহযোগিতায় উজবেকিস্তানে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায় সে।

সুযোগ পেয়েই নিজের প্রতিভা, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসের জোরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফল্য অর্জন করে আরাধ্যা। তার এই জয় শুধু চারটি পদক জয়ের গল্প নয়, বরং প্রতিকূলতাকে হারিয়ে স্বপ্নপূরণের এক অনন্য উদাহরণ। আর্থিক প্রতিবন্ধকতা তার পথ কঠিন করে তুললেও স্বপ্নের পথে এগিয়ে যাওয়ার সাহস কেড়ে নিতে পারেনি।

মাত্র ১০ বছর বয়সেই আরাধ্যা বুঝিয়ে দিয়েছে, কঠোর পরিশ্রম, অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং সঠিক সহযোগিতা থাকলে বয়স সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। দুর্গাপুরের এই খুদে কিকবক্সারের বিশ্বমঞ্চের সাফল্যে গর্বিত তার পরিবার, শহর এবং দেশ। আগামী দিনে আরও বড় মঞ্চে আরও সাফল্য অর্জন করুক আরাধ্যা—এমনটাই প্রত্যাশা ক্রীড়াপ্রেমীদের।

সম্পর্কিত খবর

মাত্র তিন বিঘা জমি, অভাবের সংসার আর বুকভরা স্বপ্ন! ছেলেকে ডাক্তার বানাতে নিজের জমির অর্ধেক বিক্রি করে দিয়েছিলেন কৃষক বাবা। আজ NEET UG পরীক্ষায় বাংলায় তৃতীয় স্থান অর্জন করে বাবার সেই আত্মত্যাগের মর্যাদা রাখলেন মুর্শিদাবাদের অনীক ঘোষ। Breaking News

মাত্র তিন বিঘা জমি, অভাবের সংসার আর বুকভরা স্বপ্ন! ছেলেকে ডাক্তার বানাতে নিজের জমির অর্ধেক বিক্রি করে দিয়েছিলেন কৃষক বাবা। আজ NEET UG পরীক্ষায় বাংলায় তৃতীয় স্থান অর্জন করে বাবার সেই আত্মত্যাগের মর্যাদা রাখলেন মুর্শিদাবাদের অনীক ঘোষ।

৪৩ মিনিট আগে

একটি মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *